Bengali Sports

Latest Bangla Sports Updates

ওয়াল্ড সকারের সর্বকালের সেরা একাদশে মেসি ; সঙ্গে আছেন যারা…

<>

সারা বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়েই বেশ কয়েক বছর ধরেই গবেষণা চালাচ্ছিলো ওয়ার্ল্ড সকার। তাদের এই এনালাইসিসে অংশ নিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিক। সাংবাদিকদের মতামতের উপর ভিত্তি করেই তারা প্রকাশ করেন সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের নিয়ে একাদশ। একাদশটি নিচে দেওয়া হলো:

১. গোলরক্ষক: লেভ ইয়াসিন
বিশ্ব ফুটবলে গোলরক্ষকের নাম নেওয়া হবে আর লেভ ইয়াসিনের নাম আসবে না সেটা হতে পারে না। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের এই গোলরক্ষক খেলেছেন ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৬৬ বিশ্বকাপ। ১৯৫৬ সিডনি অলিম্পিকে জিতিয়েছিলেন দেশকে। ভোটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েই এই বিশ্ব একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

২. লেফট ব্যাক: পাওলো মালদিনি
বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে সেরা ডিফেন্ডার কে? এমন প্রশ্নে যার নাম সবার আগে বা অবলীলায় যে নামটি চলে আসবে। এমনকি ভোটেও তেমনটিই হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে দ্বিগুণ ভোট পেয়েছেন তিনি। ইটালিয়ান এই ডিফেন্ডার ১৯৯০, ১৯৯৪ ও ১৯৯৮-র বিশ্বকাপে খেলেছেন। ১৯৯৪-এর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ইটালির টাইব্রেকার হার একটুর জন্য তাকে শিরোপার নাগাল পেতে দেয়নি।

৩. রাইট ব্যাক: কাফু
তিনি টানা তিন বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন। ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি। এরই মধ্যে ২০০২-এ ব্রাজিল দলের নেতৃত্বে ছিলেন। অবশ্য ভোটে ডিফেন্ডারদের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কাফু।

৪. সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার: ফ্রানৎস বেকেনবাওয়ার
বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে বেকেনবাওয়ারই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি কোচ, খেলোয়াড় বা অধিনায়ক থাকাকালে দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন। এই কিংবদন্তীর নেতৃত্বে জার্মানি ১৯৭৪ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল। আর কোচ হিসেবে ডয়েচলান্ডকে ১৯৯০ সালে শিরোপার স্বাদ দেন।

৫. সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার: ববি মুর
এই কিংবদন্তী ডিফেন্ডার ইংল্যান্ডের একমাত্র বিশ্বকাপটি (১৯৬৬ সালে) জয়ে নেতৃত্ব দেন। তার পায়ের দক্ষতা আর রক্ষণ ভাগে দেয়াল তৈরি করে প্রতিপক্ষকে কঠিন সময় উপহার দেয়ার কৌশল তাকে জায়গা করে দিয়েছে একাদশে। অবশ্য ভোট যুদ্ধে তাকে ইটালির ফ্র্যাঙ্কো বারেৎসি’র সঙ্গে হাড্ডাহাডি লড়াই করতে হয়েছে।

৬. মিডফিল্ডার: আলফ্রেডো ডি স্টেফানো
এই বিশ্ব একাদশে যে ৪ জন মিডফিল্ডার একাদশে জায়গা পেয়েছেন, তাদের মধ্যে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো সবচেয়ে কম ভোট পেয়েছেন। আলফ্রেডো ডি স্টেফানোর বিশেষ দিক হলো তিনি যেকোনো পজিশনে খেলতে পারতেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি আর্জেন্টিনা ও স্পেনের হয়ে খেলেছেন। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে খেললেও মূল পর্বে খেলা হয়নি তার।

৭. মিডফিল্ডার: জিনেদিন জিদান
ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে জিদানের পায়ের জাদু’র প্রশংসা করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ১৯৯৮-এর বিশ্বকাপ জয়ে ফ্রান্সের নায়ক ছিলেন তিনিই। এমনকি ২০০৬ বিশ্বকাপেও সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিলেন। তবে সেবার ইটালির মাতেরাৎসিকে মাথা দিয়ে গুঁতো মেরে অনেক সমালোচনার ভাগীদারও হন এই ফ্রান্স তারকা।

৮. মিডফিল্ডার: ইয়োহান ক্রুইফ
হল্যান্ডের এই কীর্তিমান ফুটবলার যে একাদশে থাকবেন তা জানাই ছিল। তার নৈপূণ্যে ১৯৭৪ বিশ্বকাপে পূর্ব জার্মানি, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছায় হল্যান্ড। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে পশ্চিম জার্মানির কাছে ধরাশায়ী হয়।

৯. মিডফিল্ডার: ডিয়েগো ম্যারাডোনা
সর্বকালের সেরা কে? পেলে, না মারাদোনা? ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিতর্ক হলো- এটা। এই ফুটবল জাদুকরের জাদু অবশ্য ১৯৮২-তেই দেখেছিল বিশ্ব। কিন্তু সেবার তেমন একটা সুবিধা করতে পারেননি। এরপর প্রায় একক নৈপূণ্যেই আর্জেন্টিনাকে ১৯৮৬-র বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন। ১৯৯০ সালেও ফাইনালে খেলেছে তার দল।

১০. স্ট্রাইকার: পেলে
এই কিংবদন্তী সর্বকালের সেরা বিতর্কের আরেক নাম পেলে। ‘কালোমানিক’ নামেও পরিচিত। ব্রাজিল ও ফুটবল উভয়কেই মহিমান্বিত করেছেন এই কিংবদন্তী। ১৯৬২ বিশ্বকাপে তিনি দ্বিতীয় ম্যাচে ইনজুরির শিকার হয়ে আর খেলতে পারেননি। তবে সেই বিশ্বকাপ জেতে ব্রাজিল। এরপর ১৯৭০-এর বিশ্বকাপে চরম নৈপূণ্য দেখিয়ে জিতে নেন শিরোপা।

১১. স্ট্রাইকার: লিওনেল মেসি
এই একাদশে বর্তমান সময়ের একমাত্র প্রতিনিধি হলেন লিওনেল মেসি। যদিও এখনো বিশ্বকাপে মেসির জাদুই তাকে সেরা একাদশে জায়গা করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, পেলে ও মেসির মাঝে ব্যবধান গড়েছে মাত্র ১০টি ভোট।

PJM Advertisement Click Here<><>

Bengali Sports © 2018